প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...
উপকূল পেরিয়ে সম্ভাবনার সবুজ মাঠ: খুলনায় তরমুজে ফিরছে কৃষির নতুন স্বপ্ন
প্রকাশঃ
0
জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
খুলনা প্রতিনিধি | কয়রার খবর
খুলনা: খুলনার উপকূলীয় অঞ্চলের লবণাক্ত মাটির সীমাবদ্ধতা একসময় কৃষিকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছিল। আমন ধান কাটার পর বিস্তীর্ণ জমি পড়ে থাকত অনাবাদি। তবে সেই চিত্র এখন বদলে গেছে। সবুজ লতায় ভরা মাঠজুড়ে নতুন সম্ভাবনার নাম—তরমুজ চাষ।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে খুলনা অঞ্চলে ১৩ হাজার ৮১০ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ৬৯ লাখ টন, যার সম্ভাব্য বাজারমূল্য ১ হাজার ৪০০ কোটির বেশি। এ থেকে কৃষকদের নিট লাভ হতে পারে প্রায় ৪১৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা।
এক দশক আগেও খুলনার উপকূলীয় এলাকায় তরমুজ চাষ খুব পরিচিত ছিল না। লবণাক্ততার কারণে কৃষকরা মূলত চিংড়ি চাষের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন। বর্তমানে তরমুজ চাষ ধান বা তিলের তুলনায় বেশি লাভজনক হওয়ায় কৃষকদের আগ্রহ দ্রুত বাড়ছে। বটিয়াঘাটা, দাকোপ ও কয়রা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকরা আধুনিক পদ্ধতিতে বীজতলা তৈরি, রোপণ ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।
কৃষি বিভাগ জানায়, কৃষকেরা ড্রাগন, আস্থা, পাকিজা, মালিক-১ ও থাই রেড কিংসহ উচ্চফলনশীল বিভিন্ন জাতের তরমুজ চাষ করছেন। অনুকূল আবহাওয়া থাকলে প্রতি হেক্টরে ৫০ থেকে ৬০ টন পর্যন্ত ফলন পাওয়া সম্ভব।
খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “তরমুজ এ অঞ্চলের কৃষকদের জন্য অত্যন্ত লাভজনক ফসল হিসেবে প্রমাণিত হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সহায়তা অব্যাহত থাকলে এবার বাম্পার ফলনের আশা করছি।” সঠিক পরিকল্পনা ও সরকারি সহায়তা অব্যাহত থাকলে খুলনার উপকূলীয় অঞ্চল ভবিষ্যতে দেশের তরমুজ উৎপাদনের প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সবশেষ খবর সবার আগে পেতে KSF news-এর সাথেই থাকুন। নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের upokulxpress.blogger.com ভিজিট করুন।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন