x

Ourislambd

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Ourislambd

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

শিক্ষা বঞ্চিত শিশুদের আর্তনাদ: পাতাখালীতে বিদ্যালয় চাই

প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক, কয়রা (খুলনা) | খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার সুন্দরবন কোলঘেষা দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের পাতাখালী গ্রামটি আজও শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত। স্বাধীনতার এত বছর পার হলেও প্রায় চার হাজার মানুষের এই জনপদে আজ পর্যন্ত কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি। ফলে গ্রামের শত শত শিশু শিক্ষার্থী প্রাথমিক শিক্ষার মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে দূরের বিদ্যালয়ে যেতে গিয়ে অনেকেই মাঝপথে পড়াশোনা ছেড়ে দিচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গ্রামে কোনো স্কুল না থাকায় শিশুদের পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে গিয়ে পড়াশোনা করতে হয়। যাতায়াতের সুব্যবস্থা না থাকায় এবং দূরত্বের কারণে অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পান। এতে দিন দিন ওই এলাকায় ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। পাতাখালী গ্রামের ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার মিম জানায়, তাদের গ্রামে স্কুল না থাকায় তারা খুব কষ্ট করে পাশের গ্রামের বিদ্যালয়ে যায়। অনেক সহপাঠী যাতায়াত কষ্টের কারণে এরই মধ্যে পড়ালেখা ছেড়ে দিয়েছে। তারা তাদের নিজেদের গ্রামেই একটি স্কুল চায়। বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষা এই জনপদ বারবার প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। বিপর্যস্ত এই এলাকার বহু মানুষ উদ্বাস্তু হয়েছে। যারা ভিটামাটির টানে রয়ে গেছে তারা শিক্ষার মতো মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। শিক্ষা বিস্তারের মহৎ উদ্দেশ্যে স্থানীয় শিক্ষানুরাগী হায়দার মল্লিক ও ইয়াকুব মল্লিক ব্যক্তিগতভাবে ৩৩ শতক জমি দান করলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় সেখানে কোনো ভবন নির্মিত হয়নি। তারা আক্ষেপ করে বলেন, জীবনের শেষ প্রান্তে এসে তারা শুধু তাদের গ্রামে একটি বিদ্যালয় দেখে যেতে চান। বারবার আশ্বাস পেলেও বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। একই বিষয়ে উদ্যোক্তা আব্দুল মান্নান মল্লিক জানান, শিশুদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তারা একটি কমিউনিটি স্কুল চালু করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু সুযোগ-সুবিধার অভাবে সেটিও টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন, পাতাখালী গ্রামে একটি বিদ্যালয়ের প্রয়োজন রয়েছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয় সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবুও বিষয়টি দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়ে জানিয়েছেন, তিনি সংশ্লিষ্ট দফতরকে বিষয়টি অবহিত করবেন যেন দ্রুত সেখানে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা যায়। গ্রামবাসীর এখন একটাই দাবি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে যেন তাদের গ্রামে শিক্ষার আলো জ্বলে ওঠে।
শিরোনাম...

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন