x

Ourislambd

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Ourislambd

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

বিশ্বের পারমাণবিক ক্লাবে বাংলাদেশ: রূপপুরে জ্বালানি লোডিংয়ের ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণ

প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঈশ্বরদী (পাবনা) | ২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ​বাংলাদেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের ইতিহাসে এক নতুন সূর্যোদয় ঘটলো আজ। পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আনুষ্ঠানিকভাবে জ্বালানি হিসেবে ইউরেনিয়াম লোডিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণের মধ্য দিয়ে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারকারী দেশগুলোর অভিজাত ক্লাবে সগৌরবে প্রবেশ করলো বাংলাদেশ। ​উৎপাদন প্রক্রিয়া ও সক্ষমতা: প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ইউনিটের পারমাণবিক চুল্লিতে বা রিঅ্যাক্টরে মোট ১৬৩টি ইউরেনিয়াম বান্ডেল স্থাপন করা হবে। প্রতিটি বান্ডেলে রয়েছে ১৫টি করে ইউরেনিয়াম প্লেটসমৃদ্ধ রড। এই জ্বালানি স্থাপনের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় লাগবে প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ দিন। এরপর শুরু হবে নিয়ন্ত্রিত 'নিউক্লিয়ার ফিশন' বা পারমাণবিক বিক্রিয়া। এই বিক্রিয়ায় উৎপন্ন তাপে পানি বাষ্পীভূত হয়ে টারবাইন ঘোরাবে এবং উৎপন্ন হবে বিদ্যুৎ। ​দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি নিরাপত্তা: রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের অন্যতম বড় সুবিধা হলো এর নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদন ক্ষমতা। একবার জ্বালানি লোড করার পর তা দিয়ে একটানা দেড় বছর বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে। ফলে তেল, গ্যাস বা কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রের মতো প্রতিনিয়ত জ্বালানি আমদানির সংকটে পড়তে হবে না। প্রতি ১৮ মাস অন্তর মাত্র এক-তৃতীয়াংশ জ্বালানি পরিবর্তন করলেই চলবে। কেন্দ্রটির প্রাথমিক আয়ুষ্কাল ৬০ বছর ধরা হলেও আধুনিক রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে এটি ৯০ বছর পর্যন্ত সেবা দিতে পারবে। ​ব্যয় ও গ্রিডে সংযুক্তি: নিউজ ডেস্কে আসা তথ্য অনুযায়ী, শুরুতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ ৬ টাকা প্রাক্কলন করা হলেও বর্তমানে তা ১২ টাকা দাঁড়াতে পারে বলে অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে। তবে উচ্চ সক্ষমতার এই কেন্দ্রটি চালু হলে দেশের দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। ​জ্বালানি লোডিং শেষ হওয়ার পর আরও শতাধিক কারিগরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হবে। সব ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন হলে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ধাপে ধাপে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়া শুরু করবে। রূপপুরের দুটি ইউনিট পূর্ণোদ্যমে চালু হলে দেশ মোট ২৪০০ মেগাওয়াট কার্বনমুক্ত বিদ্যুৎ পাবে। ​বিশেষজ্ঞদের অভিমত: বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই প্রকল্প চালু হওয়া কেবল বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়ন নয়, বরং বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের এক বিশাল মাইলফলক। এটি একদিকে যেমন শিল্পায়নে গতি আনবে, অন্যদিকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ক্লিন এনার্জি বা স্বচ্ছ জ্বালানি নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
শিরোনাম...

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন